শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫


শীতকালীন ফিকহি গাইডলাইন: শরয়তের আলোকে আমাদের করণীয়


শীতকাল আমাদের জীবনে শুধু আবহাওয়া নয়, বরং ইবাদতের একটি বিশেষ সময়ও। এই মৌসুমে শরীর, নামাজ, অজু, পোশাক ও স্বাস্থ্য—all দিক থেকে কিছু মাসয়ালা বিশেষভাবে জরুরি। নবী করিম ﷺ এর হাদীস ও কুরআনের নির্দেশনা আমাদের পথ প্রদর্শক। নিচে শীতকালীন গুরুত্বপূর্ণ ফিকহি মাসায়েল আলোচনা করা হলো।


১. অজু ও গোসল সম্পর্কিত মাসয়ালা

১.১ ঠান্ডা পানিতে অজু

শীতের দিনে অনেক সময় পানি অত্যন্ত ঠান্ডা থাকে। শাস্ত্রে বলা আছে, “যে ব্যক্তি অজু করবে কিন্তু ঠান্ডার কারণে পানি ব্যবহার করতে পারবে না, সে তায়াম্মুম করতে পারবে।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৩৪)

তবে যদি সামান্য সহ্য করতে পারে, গরম বা হালকা পানি ব্যবহার করে অজু করা সুন্নত এবং বেশি সওয়াবজনক।


১.২ হাত ও পায়ে ফাটা বা চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হলে

হাত-পা ফেটে গেলে অজু করতে গেলে কষ্ট হয়। এই অবস্থায় পানি লাগানো ক্ষতি করবে যদি হরমের জন্য ক্ষতি হয়। তখন শুধু মাসেহ (ভেজা কাপড় বা হাত বুলানো) করা জায়েজ।


১.৩ গোসল

শীতকালে গোসল কষ্টসাধ্য। যদি পানি খুব ঠান্ডা হয় এবং শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়, গরম পানি ব্যবহার করা বা গোসল না করে তায়াম্মুম করা জায়েজ।

নবী ﷺ বলেছেন, “স্বাস্থ্য রক্ষা করা মুমিনের ফরজ।” (সহীহ বুখারি, হাদীস ২৪৫)



---


২. নামাজ সংক্রান্ত মাসয়ালা


২.১ জামাতের সময়

শীতকালে ফজরের সময় দেরি হয় এবং এশার সময় আগেভাগে করতে হয়। শরীয়ত অনুযায়ী, নামাজ সময়সীমার মধ্যে আদায় করতে হবে।


২.২ পোশাক

মোটা জ্যাকেট, সোয়েটার, গরম মোজা বা টুপি পরে নামাজ পড়া জায়েজ, যদি হাত-পা ঢেকে থাকে।

নবী ﷺ বলেছেন, “পরিষ্কার ও সুশৃঙ্খল পোশাকেই নামাজ আদায় কর।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৪২)


২.৩ মসজিদে যাওয়া

যদি শীত, বৃষ্টি বা ঠান্ডার কারণে মসজিদে যাওয়া কঠিন হয়, তাহলে ঘরে নামাজ আদায় করা জায়েজ।

হাদীসে বলা হয়েছে, “যে মসজিদে আসা কঠিন, সে ঘরে নামাজ আদায় করবে।” (আবু দাউদ, হাদীস ৪১২)



---


৩. পোশাক ও পবিত্রতা


৩.১ মোজা ও মাসেহ

শীতে মোজা বা চামড়ার মোজা পরার সময় উপরে মাসেহ করা যায়।


মুকিম: ২৪ ঘণ্টা


মুসাফির: ৭২ ঘণ্টা

(সহীহ মুসলিম, হাদীস ৫৯০)



৩.২ নাপাক কাপড়

নাপাক কাপড়ে নামাজ আদায় করা হারাম। তাই শীতের কারণে ধোয়া কষ্ট হলে সতর্কভাবে কাপড় ব্যবহার করা উচিত।



---


৪. স্বাস্থ্য ও শরীর


ঠান্ডা থেকে রক্ষা করা শরীয়তের দৃষ্টিতে ওয়াজিব।


সর্দি, কাশি বা নিউমোনিয়া হলে চিকিৎসা নেওয়া জায়েজ এবং দায়িত্ব।


কাশি বা হাঁচি হলে মুখ ঢেকে রাখা সুন্নত। (সহীহ বুখারি, হাদীস ৫২৩)



নবী ﷺ বলেন, “নিজের শরীরকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করা ওয়াজিব।” (তিরমিজি, হাদীস ১৭৮০)



---


৫. অন্যান্য উপকারী দিক


৫.১ তহাজ্জুদ ও দোয়া

শীতের রাতে দীর্ঘ সময় থাকে, তাই তহাজ্জুদ পড়া সহজ এবং ফজিলত বেশি। নবী ﷺ বলেছেন, “রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া সবচেয়ে উত্তম।” (সহীহ মুসলিম, হাদীস ৭৫১)


৫.২ গরীবদের সহায়তা

শীতে কম্বল, গরম কাপড় বা খাদ্য সহায়তা প্রদান করা সাদকা জারিয়া। কুরআনে আল্লাহ বলেন:


> “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে ব্যয় করে, আল্লাহ তাকে প্রতিদান দিবেন।” (সূরা বাকারাহ, আয়াত ২৬০)




৫.৩ রোযা রাখা

দিন ছোট হওয়ায় শীতকালীন রোযা রাখা সহজ এবং সুন্নত। নবী ﷺ বলেছেন, “রোযা ঈমান বৃদ্ধি করে ও শরীরকে সুস্থ রাখে।” (সহীহ বুখারি, হাদীস ১৯৫)



---


৬. বাস্তব পরামর্শ


শীতে অজু ও গোসলের সময় পানি গরম করুন।


মোজা বা জ্যাকেটের উপর মাসেহ করা শিখুন।


শীতকালে ঘরে নামাজ আদায় করা যাবে যদি মসজিদে যাওয়া কঠিন।


তহাজ্জুদ ও রাতে দোয়া করার সুযোগ গ্রহণ করুন।


গরীব ও অসহায়দের সহায়তা করুন।



শীতকাল কেবল ঠান্ডা নয়; এটি ইবাদতের সুযোগ, স্বাস্থ্য রক্ষার সময় এবং দান-সদকা বৃদ্ধি করার সময়। নবী ﷺ এর সুন্নত অনুসরণ করে, শরীর ও ইমান—উভয়কে সতেজ রাখা সম্ভব।


নিষ্কর্ষ:

শীতকালে ফিকহি মাসায়েল বুঝে সচেতন থাকা আমাদের দায়িত্ব। অজু, নামাজ, পোশাক, স্বাস্থ্য ও ইবাদতের দিকে যত্নবান হওয়া—সবই ইসলামী জীবনযাত্রার অংশ।

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

নাভীর নীচের অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা

নাভীর নীচের অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা হলো : পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায় নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয় সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। লোম পরিস্কার করার উপায় : আসল উদ্দেশ্য যেহেতু লোম পরিস্কার করা তাই যেসব উপায় গ্রহণের মাধ্যমে লোম পরিস্কার হবে সেসব উপায়ই গ্রহণ করা জায়েয আছে। সুতরাং ব্লেড, ক্ষুর, কাঁচি, ক্রীম, পাউডার সবই ব্যাবহার করা জায়েয আছে। অবশ্য পুরুষের জন্য এক্ষেত্রে ব্লেড বা ক্ষুর ব্যবহার করা উত্তম। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

পরকালে বিশ্বাস রাখতে হবে

যে পরকালকে অস্বীকার করে সে মুসলমানের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যায়। কারণ পরকালে বিশ্বাস করা ইসলামের মৌলিক বিষয়। সুতরাং যে মুসলমান হিসেবে বাকী রইল না তার বিষয়ে করণীয় হল তাকে ইসলামের বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া। তার ডাউটগুলো ক্লিয়ার করা। এতে যদি সে তার অসামঞ্জস্যপূর্ণ বক্তব্য থেকে ফিরে আসে তবে ভাল। নতুবা তাকেও অন্যদশটি অবিশ্বাসীদের কাতারে ফেলে রাখাই শ্রেয়। এটা নিয়ে তার পক্ষে সাফাই গাওয়া যেমন কাম্য নয় ঠিক  অশ্লীল বাক্য প্রয়োগও উচিত হবে না।

সম্প্রতি একজন নারী মডেল রেডিও প্রোগামে সম্ভবত কারো প্রশ্নের উত্তরে বলেন যে, "আমি পরকালে বিশ্বাস করি না। যা চোখে দেখতে পাই না তা আমি বিশ্বাস করি না।" এরকম কথা আজকের ধারাবাহিকতায় নতুন কিছু নয়। মুসলমান নামধারী এমন মস্তিষ্কের দাসের অস্তিত্ব অপ্রতুল নয়। তবে এসব ক্ষেত্রে বিশেষ লক্ষনীয় হল, পাব্লিকলি কেউ এমন মন্তব্য করলে আমরা সাধারণত দুটি দল দেখতে পাই। ১ম দল যারা মস্তিষ্কের দাস, তারা এমন বক্তব্যকে বক্তার ব্যক্তি স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত মত বলে চালিয়ে দেওয়ার ওকালতিতে নেমে পড়ে। তারা বলে এটা যার যার ব্যক্তিগত মত। এখানে হট্টগোলের কিছু নেই।  আর ২য় দল যারা সাধারণত ধর্মীয় বিষয়ে বিশ্বাসী, তারা উক্ত বক্তার প্রতিবাদ করতে গিয়ে চৌদ্দ গুষ্টির কৃষ্টি উদ্ধার করে ফেলেন। তাও আবার যেনতেন ভাষায় নয়। খাঁটি অশ্লীল ভাষায়!
এখন আমার কথা হল, এই দল দুটির কোনটাই তাদের নীতির ওপর বহাল নেই। মস্তিষ্কের গোলামরা বলে, কারো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থাকতে পারে এটা নিয়ে হৈচৈ করার কিছু নেই। তাহলে অপরপক্ষ যখন বক্তৃতার বিপক্ষে অশ্লীল ভাষায় তাদের যার যার নিজস্ব মন্তব্য প্রকাশ করে সেটা নিয়ে তোমাদের মাথা ব্যাথা হয় কেন? সেক্ষেত্রে তোমরা নিরবতা পালন করো না কেন?

যদি এটা কোন সারগর্ভ কথা নয়। এখানে মূল কথাটি হল, যদি কোন অবিশ্বাসী অমুসলিমের মুখ থেকে পরকাল অবিশ্বাসের কথা বের হয় তাহলে আমাদের কোন মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু মুসলমান হয়ে পরকাল অবিশ্বাসের কথা বলবে আর এটা তার ব্যক্তিগত মত হিসেবে আমাদের মেনে নিয়ে চুপ বসে থাকতে হবে তা কখনোই না। কারণ ইসলাম গোমূত্র খাওয়া বা যত্রতত্র মাথা টেকার মত তুচ্ছ কোন ধর্ম নয়। ধর্মীয় বিষয়ে ইসলামের দেওয়া অভিমতই হতে হবে একজন মুসলমানের মতামত। আর পরকাল বিষয়ে ইসলাম অভিমত দিয়েছে যে, পরকালের অস্তিত্ব আছে। পরকাল চির শাশ্বত। সুতরাং এ বিষয়ে ভিন্নকোন ব্যক্তিগত মতামত মুসলমানের থাকতে পারে না। কেউ যদি ভিন্ন মতামত ধারণ করে তবে সে ইসলামের বাইরে।

দ্বিতীয় কথা হল, আমরা যারা বিশ্বাসী আছি তাদেরও মাথায় রাখতে হবে যে, অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড সামনে আসলে আমার কর্তব্য হল, সেটাকে ইসলামী পন্থায় সংশোধন করা। সংশোধন করতে না পারলে যদি প্রতিবাদ করা যায় তাহলেও তাও ইসলামী পন্থায় হওয়া। অশ্লীল বাক্য দ্বারা অনৈসলামিক কাজের প্রতিবাদ করাটাও অনৈসলামিক কাজ। যা থেকে আমাদের বিরত থাকা জরুরী।

আল্লাহ আমাদের বুঝার তাওফিক দিন।

রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

পরকিয়া!

কর নারী পরকিয়া বা স্বকিয়া!!!
সাধ্য কার? রুধিবার! তোমার হিয়া.....

সুবর্না মোস্তফা আর হুমায়ুন ফরিদীর ডিভোর্স পরবর্তী ফরিদীর তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ার কথা মনে আছে?আমাদের সমাজ আর গণমাধ্যম হামলে পড়েছিল ফরিদীর উপর, ডিভোর্স দিয়েছিল সুবর্না বাট কেন ডিভোর্স এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য বারবার বিব্রত করা হয়েছিল ফরিদীকে, একি প্রশ্ন দ্বিতীয় বার খোঁজা হয়েছিল বদরুল আলম সৌদের কাছে। একটা মেয়ে এক ছেলেকে ডিভোর্স দিয়ে আরেক ছেলেকে বিয়ে করলেও, অপরাধী হিসেবে আদালতের কাঠগড়ায় বারংবার পুরুষ!!কেন??
"এবার একটু ফ্ল্যাশব্যাকে যান তো। গতরাতে আকাশ ভাই আর তাঁর স্ত্রীর ঝগড়া হলো। স্ত্রীর ক্রমাগত করে যাওয়া অনৈতিক অবৈধ কাজগুলোর স্বীকারোক্তির জন্য তাঁর গায়ে ধরলাম হাত ও তুললেন তিনি। ঝগড়াঝাড়ি শেষে সকলকে বিস্তারিত জানিয়ে দিলো ফেসবুকে। তারপর ডিভোর্স দিয়ে দিলো তথাকথিত উচ্চশিক্ষিত USMLE ট্রাই করে যাওয়া ডাক্তার মিতুকে।
কী করতেন আপনারা? কতোটা বিরুপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতো ডাক্তার আকাশ! ভাবা যায়!!
নারী নির্যাতন, মানহানির মামলা, অনলাইনের মামলা থেকে শুরু করে আরো কতো কী মামলা যে সাজানো হতো তাঁর বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তো মুখরোচক সব কাহিনী। সকলে ধিক্কার জানাতো 7 বছর প্রেম করে প্রচন্ড ভালোবেসে বিয়ে করা ছেলেটাকে। গালির তুবড়ি ফুটতো যত্রতত্র। সেই সাথে কাবিনের ৩৫ লক্ষ টাকার দায় তো আছেই। কেউ বুঝতেই চাইতোনা, প্রতারিত হওয়ার কী অসহ্য কষ্ট বুকে চেপে হাসি হাসি মুখে বেঁচে ছিলো ছেলেটা।
আর যদি বাই চান্স সুইসাইড করে বসতো মেয়েটা!!! তাহলে তো কথাই নেই। রীতিমতো "ফাঁসি চাই" স্লোগান উঠতো তাঁর বিরুদ্ধে, যার অধিকাংশই তুলতো আজকের দিনে তাঁর জন্য আফসোসের বাণী ছুটানো মানুষগুলো। কী ভয়ানক contrariety ই না এই সমাজে চর্চা হয়।
Can you all still feel that deep severe pain, যার জন্য বহু শিক্ষার্থীর মোটিভেশনগুরু নিজের বাঁচার জন্য কোন মোটিভেশন খুঁজে না পেয়ে শিরায় শিরায় পয়জন ঢেলে দিতে পারে! সাতটা বছর ভালোবেসে বিয়ের আগ মুহুর্তে যার অনৈতিকতার প্রমাণ পেয়েও মাফ তরে দিয়ে বসেছিলো বিয়ের পিঁড়িতে, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে এই আশায়। কেনো জানেন? তাও এই সমাজব্যাবস্থা, লোকচক্ষু আর দুপেয়ে জীবদের কথার তুবড়ি থেকে বাঁচার জন্য। বিয়ের পর আড়াইটা বছর মুখ বুঁজে নিজের সাথে নিজে সংগ্রাম করে গেছে, ফিরিয়ে আনতে চেয়েছে স্ত্রীকে সেই কুপথ থেকে।চেয়েছিলো শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হোক সব।
কেনো??
কারণ চারপাশে আমি, আপনি, আমরা বসে ছিলাম ভুল ধরে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করার জন্য। ফেসবুকে ক্রমাগত রঙিন ররঙিন সব ছবি দিয়ে ববোঝাতো কত্ত সুখী তারা। অথচ, নিজের বিবাহিত স্ত্রী ক্রমাগত অন্য পুরুষদের সাথে ঘুরছে, খাচ্ছে, শুচ্ছে ; একটা ছেলে কিভাবে সহ্য করবে এসব। কিন্তু এই সমাজ তো আর এসবের বিচারের কোন আইন তৈরি করেনি। বরং ঘটনা টা আকাশের সুইসাইড দিয়ে শেষ না হলে, বড়ো হয়ে যেতো। এ সমাজের আইন ঘাড়ে কেঁচকি মেরে ধরতো নানান মামলা, হামলা,অপমান, অপদস্থের খড়গ নিয়ে। বেঁচে থাকার কোন ওয়ে ছিলোনা তো তার।
কে বলে, "তিনি সঠিক কাজ টা করেননি। তাঁর মতো ম্যাচিউরড মানুষ এমন কাজ কেমনে করলো" !!
ইসলাম যদিও এ কাজটা সাপোর্ট করেনা,আমিও না!!!
উনি এই কাজটা না করলে এই সমাজব্যবস্থা বুঝতোই না, কতো বড়ো একটা গলদ, কতো বড়ো একটা অবিচার রয়ে গেছে আমাদের বিচার ব্যাবস্থায়। এক্সট্রা ম্যারিটাল এফেয়ারের মতো জঘন্য কুরুচির কাজের কী শাস্তির বিধান দেশের আইনে আছে আমি জানিনা। তবে যদি না থাকে, হে সমাজ জেনে নিও, আকাশ ই শেষ নয়। আরও কতোশতো আকাশ কিংবা আসমানী এ তালিকায় যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছে। ভিক্টিম পুরুষ কিংবা নারী যে কেউই হতে পারে। আকাশ এখানে কেবল একটি নাম্বার মাত্র।আর কিচ্ছু না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই অধ্যাপক দম্পতির কথা মনে আছে? যার স্ত্রী বিদেশে PHD করতে গিয়ে তার চেয়ে অল্প বয়সের এক ইরানি ছেলের সাথে অনৈতিক কুরুচিপূর্ণ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে যিনি নিজেও ঢাবির শিক্ষক ছিলেন। এসব জানতে পেরে, স্বামী রাগের মাথায় স্ত্রীর চোখে আঘাত করে, কামড়ে মুখের মাংস তুলে নেয়। পুরো দেশ ঐ বেচারা স্বামীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হলো, আর মাঝবয়সে এসেও পরকিয়া করা মহিলাকে দেওয়া হলো উচ্চতর চিকিৎসা,সহমর্মিতা ও অন্যান্য সুবিধা। সেদিন যদি ঐ অধ্যাপক যদি সুইসাইড করতো, তাহলেই হয়তো এই সমাজ ফ্যাচ ফ্যাচ করতে করতে পরকিয়া করা উচ্চশিক্ষিতার বিরুদ্ধে যেতো। কিন্তু তিনি সুইসাইড না করে স্ত্রীর বিচার করতে গিয়ে ভিলেন হয়ে গেলেন।
একটা হাদীস দিয়ে শেষ করি, যদিও পুরোপুরি হাদিসটা মনে নেই। একবার রাসুল (সা) এর সামনে তাঁর এক সাহাবিকে জিজ্ঞেস করা হলো, যদি আপনি বাসায় গিয়ে দেখেন আপনার স্ত্রী একজন পরপুরুষের সাথে একই বিছানায় শুয়ে আছে, আপনি কী করবেন? তখন সেই সাহাবি জবাব দিলো, আমি তলোয়ারের আঘাতে তথক্ষণাৎ তাদের হত্যা করবো।  তখন সেই সাহাবিকে বলা হলো, আপনি এতোটা ঈর্ষা করেন?
সেই সময় রাসুল (সা) এই কাজে সম্মতি প্রকাশ করে বলেন, "আমি এ ব্যাপারে তার চেয়েও বেশি ঈর্ষান্বিত।এবং আল্লাহপাক এব্যাপারে সর্বাধিক ঈর্ষান্বিত"।
অর্থাৎ, এটা এমন একটা কাজ, যেখানে কোন মার্সি নেই।আমাদের ঘুম ভাঙবে কবে???"

মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

হেফাজত এসেছিল ঝড়ের বেগে, উল্কার গতিতে

হঠাৎ করেই দেশবাসী দেখল রাজধানীতে শুধু টুপি আর টুপি। পত্র পত্রিকার পাতায় শুধু হুজুরদের ছবি।

টেলিভিশনের পর্দায় দুলতে থাকে এক বৃদ্ধের সফেদ চেহারা, তিনি আল্লামা আহমদ শফি। এইসব দেখে নড়েচড়ে উঠলেন রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা।প্রমাদ গুনল নাস্তিক মুরতাদরা। বিশ্লেষকরা বসলেন নতুন ছক কষতে। বাম ঘরানার বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার লিখলেন, নষ্ট শহরে হেফাজতের গনবিস্ফোরণ। মানব জমিন লিড নিউজ করল, রাজনীতিতে নতুন শক্তি। বিএনপি এই শক্তিকে ইউজ করতে চাইল। হেফাজতের ভেতরের কেউ কেউ গোপনে অভিসারে লিপ্ত হয়ে পড়লেন বিএনপির সাথে। তার পরের ইতিহাস সবাই জানেন।

আওয়ামীলীগ চিন্তা করল এই শক্তিকে শাপলায় যেভাবে রাতের অন্ধকারে শেষ কর‍তে চেয়েছি তা ভুল হয়েছে। আমরাও পজিটিভলি ইউজ করি। শেখ হাসিনা কওমি আলেমদেরকে ডেকে স্বীকৃতির ঘোষণা দিলেন এবং প্রতিশ্রুতি পুরনও করলেন। হেফাজতের সবাই যে আওয়ামীলীগকে ভোট দিবেনা সেটা আওয়ামীলীগ জানে, তারপরও কেন বামদেরকে পেছনে ঠেলে এই কাজ করতে গেলো? এইখানেই আওয়ামীলীগের দুরদর্শীতার প্রমাণ পাওয়া যায়। আর যাই হোক তাতে বিএনপির একক প্রভাব ধর্মপ্রান মানুষের উপর যেভাবে আছে তা কমবে বৈ কি।

ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল আর আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক চিন্তার পার্থক্য কতটুকু আকাশ পাতাল ব্যাবধান আরেকটি ঘটনা বললে বুঝা যাবে। বিগত বিএনপির আমলে একটি ইসলামী দলের মন্ত্রীকে চট্টগ্রামের একটি বড় কওমি মাদ্রাসায় দাওয়াত করা হয়েছিল। তিনি সেখানে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে। এই রোগের নাম আসাবিয়াত। তিনি সেই মাদ্রাসায় এতীমদের জন্য সরকারি বরাদ্দ কমিয়ে অর্ধেক করে এলেন! অথচ তার উচিত ছিল একে আরো বাড়ানো। ফলশ্রুতিতে কওমি মাদ্রাসা পর্যায়ে নিউজ চলে গেল এই ইসলামী দল কওমি বিরোধী। এই ঘটনার কয়েকদিন পর আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে। সেখানকার আওয়ামী এমপি ওই মাদ্রাসায় গিয়ে জানলেন আগের জনৈক ইসলামী মন্ত্রীর বরাদ্দ কমানোর ঘটনা। আওয়ামীলীগের এই এমপি মাদ্রাসার এতীম বাচ্চাদের জন্য সরকারি বরাদ্দ তো বাড়ালেনই এমনকি আগের চেয়ে দিগুন করে দিলেন।

ভাইলোগ, আওয়ামীলীগ থেকে আপনাদের রাজনীতি শেখার মত অনেক কিছু আছে। আগে রাজনীতি শিখুন তারপর মাঠে নামুন। সাতার না শিখে পানিতে নামলে নিজে তো ডুববেন এমনকি কর্মীদেরকেও ডুবাবেন।

কি দু;সময় গিয়েছে শাহবাগের দিনগুলোয়। ইসলামী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার জন্য রীতিমত তালিকা চুড়ান্ত করা হয়েছিল। শাহবাগ সফল হলে আর যাই বলেন ইসলামী তামাদ্দুন ধ্বংস হয়ে যেত অটোমেটিকালি। কিন্তু শাহবাগের বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়ানোর সাহস করছিলেননা। সেই সময় একাকী বুকটান করে এগিয়ে এসেছিল কতিপয় মোল্লা মওলভি, যাদের প্লাটফরমের নাম হেফাজতে ইসলাম। হেফাজত যেভাবে একাকী একটা স্রোতকে থামিয়ে দিয়েছে তাতে তাদের আগামী কয়েক টার্ম রাজনীতি না করলেও চলবে।

আজকের জাতিয়তাবাদী এবং ইসলামপন্থী রাজনীতিবিদদের তাই হেফাজতের উপর কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কোন অবস্থায়ই গালাগালি নয়।

©  সাইমুম সাদী

বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১৮

আজব দেশ

আপনি যদি পণ করে নেন যে, যেই পরিস্থিতিই হোক আমি মসজিদের সামনে কাতারে গিয়ে নামায পড়ব। তবে একারণে আপনাকে কোন কোন সময় মুসল্লীদের কষ্ট প্রদান করাটা বাধ্যতামূলক। আপনি যদি নিজের ছেলের প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোন যে তার সব দাবী মেনে নিবেন। তবে আপনাকে অবশ্যই কাণ্ডজ্ঞানহীন অভিভাবক হতে হবে। যে কিনা সন্তানের দাবীর সঙ্গতি-অসঙ্গতির ধার ধারবে না। ন্যায় অন্যায়ের বাছ রাখবে না। এমন অভিভাবককে অভিভাবক হিসেবে যেমন পূর্ণ মার্ক দেওয়া যায়, তদ্রূপ মানবতার দৃষ্টিতেও তাকে স্বাভাবিক মানুষের স্বীকৃতি দেওয়া যায় না।

গত দুদিন যাবত বাংলাদেশের সড়কপথ দেশের শিক্ষার্থীদের পদভারে ন্যুব্জ। কচিকাঁচা শিশু শিক্ষার্থী থেকে নিয়ে উচ্চপর্যায় শিক্ষার্থীগণও এই সংগ্রামে জড়িত। এই সংগ্রামের অন্যতম একটি দাবী হলো নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করণ। লক্ষণীয় বিষয় হলো, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে কারো কোন তেমন আগ্রহ চোখে পড়ছে না। কিন্তু কেন? সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদের জীবন কি এতই মূল্যহীন?
দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী ব্যক্তিরা ছাত্রদের নিহত হওয়া সংবাদে হেসে হেসে ইন্টারভিউ দেন। সংবাদমাধ্যমগুলো সংবাদরস খুঁজে বেড়ায় নির্বাচন নামক প্রহসনে। সবচেয়ে ব্যথিত চিত্র হলো, এমন একটা আন্দোলনেও পুলিশ শিশু ও তরুণ ছাত্রদেরকে লাঠিপেটা করে।

এদেশের আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করাটা জাতীয় চেতনায় পরিণত হয়েছে। ধর্মীয় আন্দোলন, অধিকার আদায় আন্দোলন, কোটা বিরোধী আন্দোলনসহ বর্তমানের যাতায়াতের নিরাপত্তা আন্দোলনেও পুলিশ নামক এলিয়েনদের আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের দেশের নিরাপত্তার কর্ণধার প্রশাসন এ ববিষয়ে খুব ভালভাবেই অঙ্গীকারাবদ্ধ যে, ইস্যু যাই হোক দেশে কোন আন্দোলনই চলবে না। আন্দোলনের কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে দেওয়া যাবে না!

বড় সেলুকাস এদেশের চিত্র। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে যে ছাত্র সমাজের তাজা প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার চেতনায় পাওয়া আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ। অথচ সেই ছাত্র সমাজের বুকে বুটের আঘাত হানে এদেশের পুলিশ নামক বিকৃতমনা কিছু প্রাণী। যে ছাত্র সমাজ এদেশের ভবিষ্যত তাদেরকে নায্য দাবীর বেলায়ও চোখমুখ বন্ধ করে লাঠিপেটা করতে সামান্যতম দ্বিধাবোধ করে না। কী বিচিত্র! হায় মানসিকতা!!
কী লেখা আছে বাংলাদেশ নামক এই ছোট্ট একটা ভূখণ্ডের ভাগ্যে আজ সময়ের এই মোড়ে এসে তা অনুমান করাটা অসম্ভব। এ দেশটা আজবদেশ হতে আর বেশি সময় বাকী নেই। যেখানে মানুষ জন্ম নিলেও হাসে, মরে গেলেও হাসে, সেই দেশকে আপনি কী বলবেন?

সোমবার, ২৩ জুলাই, ২০১৮

নবদম্পতির জন্যে প্রয়োজনীয় কিছু কথা

বিয়ে রাসুল সা. এর একটি সুন্নত। রাসুল সা. বলেছেন, যে আমার সুন্নতকে অবজ্ঞা করলো সে আমাকে অবজ্ঞা করলো। যারা বিয়ে করলো আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য আল্লাহ তায়ালা তাদের জীবন আলোকিত করে দিবেন।

নতুন বিবাহিত মুসলিম দম্পতিরা তাদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে ইসলাম যা বলে তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায় অনেক সময়। কারণ তারা এ বিষয়ে কথা বলতে লজ্জা পায়।

অনেক সময় তারা বিভ্রান্তও হয়। তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই।

১. বিয়ে প্রথম রাত

প্রথম রাতেই যে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে ইসলামে এর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আগে একে অপরকে বুঝা উচিত। যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে শারীরিক সম্পর্ক উপভোগের মাধ্যমে হবে, তাহলে তো ঠিক আছে।

কিন্তু জোড়পূর্বক কোনোভাবেই উচিত নয়। এতে শুরুতেই সম্পর্কের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব শুরু হয়। তাই এ ব্যপারে সতর্ক থাকা উচিত।

২. শারীরিক সম্পর্ক

নববধূর জন্য আল্লাহ শারীরিক সম্পর্ক হালাল করেছেন কিন্তু এটি শুধুই শারীরিক সম্পর্ক নয় আল্লাহর বিধান ও ইবাদতও। সেটি মনে রাখতে হবে। বিয়েটা শুধু যেনো যৌন চাহিদার জন্য না হয়। আল্লাহর বিধান মানার জন্যও যেনো হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে।

ইসলাম আমাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা পরণের জন্য বিধান দিয়েছেন। রাসুল সা. বাসর রাত বা শারীরিক সম্পর্কের জন্য দোয়াও শিখিয়ে দিয়েছেন।

ইসলাম বলে মানুষ যেনো পশুদের মত যৌন চাহিদা পূরণ না করে। তাই অনেকগুলো নির্দেশনা আছে এ ক্ষেত্রে। সঙ্গিনীর চাহিদা, ভালো লাগা খারাপ লাগার প্রতি গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তার কষ্ট হয় এমন কিছু করা উচিত নয়।

আল্লাহ তায়ালা পায়ু পথে সম্পর্ক করাও হারাম করেছেন। তাই ইসলামের বিধান মানাটা অপরিহার্য।

৩. ভার্জিনিটি

অনেকের ধারণা থাকে শারীরিক প্রথম সম্পর্কের ক্ষেত্রে রক্তপাত না হলে তার ভার্জিনিটি আগেই ছিন্ন হয়ে গেছে। ইসলাম এমন ধারণাকে সমর্থন করে না। কেনা অনেক সময় লাফালাফি বা এ জাতীয় খেলাধুলার কারণেও ছিন্ন হতে পারে। সুতরাং এ বিষয় নিয়ে বাড়বাড়ির কোনো সুযোগ নেই ইসলামে।

৪. সঙ্গিনী

আল্লাহ তায়ালা মানুষের মর্যাদার ক্ষেত্রে নারীদের মর্যাদা দিয়েছেন অনেক বেশি। তাই স্বামীরাও  তাদের মর্যাদা দেবে। তাদের পছন্দ অপছন্দের দিকে লক্ষ্য রাখবে। শারীরিক সুখ দেয়ার পুরোপুরি চেষ্টা করবে।

৫. সঙ্গিনীর বিষয়ে আলোচনা

শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো নিয়ে কারো কাছে বলা ইসলাম নিষেধ করেছেন। এগুলোর বিষয়ে আলোচনা হারাম।

সঙ্গিনীর শারীরিক কোনো বিষয়ে অন্যের কাছে বলা ইসলাম সমর্থন করে না। হ্যাঁ শারীরিক সম্পর্কে যদি কোনো সমস্যা থাকে তাহলে অবহেলা না করে ডাক্তার দেখানো উচিত।

সঙ্গিনীর হক আদায়ে যদি কমতি হয় আর আপনি লজ্জায় ডাক্তার না দেখান তাহলে মারাত্মক গোনাহগার হবেন।

তাই এ বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করা ও গুরুত্ব দেয়া খুবই প্রয়োজন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন।

সূত্র: দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশন 

এবং আওয়ার ইসলাম২৪

শীতকালীন ফিকহি গাইডলাইন: শরয়তের আলোকে আমাদের করণীয় শীতকাল আমাদের জীবনে শুধু আবহাওয়া নয়, বরং ইবাদতের একটি বিশেষ সময়ও। এই মৌসুমে শরীর, না...